টানা ভারী বর্ষণে কক্সবাজার জেলার উখিয়াসহ ৯টি উপজেলার অন্তত ৩৩টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢল এবং নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রামু, চকরিয়া, পেকুয়া, মহেশখালী ও টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে হাজারো মানুষ পানিবন্দী হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজও বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে, ফলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি ঢল এবং বাঁকখালী ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রামু ও চকরিয়া উপজেলার অন্তত ১৪টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এতে কয়েকশ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার পৌরসভা, উখিয়া, টেকনাফ, পেকুয়া, মহেশখালী, ঈদগাঁও ও কুতুবদিয়ার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলও পানিতে তলিয়ে গেছে।
অন্যদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে রোববার দিবাগত রাতে একাধিক পাহাড়ধসের ঘটনায় আশ্রয়শিবিরে আটজন রোহিঙ্গা এবং কক্সবাজার শহরের একজন বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়া পেকুয়া উপজেলায় মাটির ঘর ধসে পড়ে এক শিশুরও মৃত্যু হয়েছে।
জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে