দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এসএম হাবিবুল হাসান বলেছেন সেবা প্রদানকারী সংস্থার সাথে সেবা গ্রহণকারী প্রান্তিক জনগোষ্ঠির সাথে সেতুবন্ধন রচনা করতে হবে। সেই সাথে তাদের উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় আনতে পারলে তারা পিছিয়ে থাকবে না। তাদের অধিকার, ক্ষতায়নের ব্যাপারে তারা নিজেরই সচেতন হবে। এজন্য সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোকে তাদের পাশে থাকতে হবে সহযোগিতার মাধ্যমে।
৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ঝানজিরা সমাজকল্যাণ সংস্থা (জেএসকেএস) এর আয়োজনে এবং জিএফএ কনসালটিং গ্রুপের সহযোগিতায় নাগরিকতা-সিভিল এনগেজমেন্ট ফান্ড “ইম্পাওয়ার” প্রকল্পের আওতায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠির সেবায় প্রবেশগম্যতা বৃদ্ধিতে জেলা সমন্বয় সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন। জেএসকেএস এর নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা কামাল এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা শিক্ষা অফিসার খন্দকার আলাউদ্দিন আল আজাদ, জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এটিএম নজমুল হুদা, দিনাজপুর টিসিসি এর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রকিবুল ইসলাম, হরিজন প্রতিনিধি হরিদেব, কাহারোল ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, আদিবাসী নেতা লুকাস সরেন। সভাপতির বক্তব্যে জেএসকেএস এর নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা কামাল বলেন, আমরা ইম্পাওয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে দিনাজপুর সদর, বিরল, বীরগঞ্জ ও কাহারোল উপজেলার আদিবাসী ও দলিত জনগোষ্ঠির বিশেষ করে যুব ও নারীদের নেতৃত্ব, অধিকার, অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি করা এবং সরকারি সেবা ও সুযোগ সুবিধায় তাদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে সহযোগিতা প্রদান করে আসছি। সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন জেএসকেএস এর টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট মর্জিনা রুপা। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন প্রজেক্ট ম্যানেজার হারুন-অর-রশিদ। এছাড়াও বিরলের ১২ নং রাজারামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুকুল চন্দ্র রায়, জেএসকেএস এর কর্মকর্তা সাইফুল আলম, মিলস কর্মকর্তা মশিউর রহমান, এপিও রেজাউল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় সরকার/জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সুশীল সমাজের সদস্য, আদিবাসী ও দলিত জনগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ সভায় অংশগ্রহণ করেন।